Thursday, March 10, 2011

khero khata
nissho ghor
obujh pathay
sobujh khonj.
tokei khujjilam anache kanache .
ranna ghore,
paposhe,
boiyer patay,
dvd'r kache,
janlar dhuloy,
sokaler aloy,
cup-er peyalay,
sondher nirobotay,
ratrir stabdhotay.

tokei khujjilam dinbhor rat dhore..

Tuesday, November 24, 2009

Netaji Subhaj Chandra Bose International Airport

সারা রাত জাগার পর সক্কাল বেলায় সরকারের দয়ায় ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসে এসে পড়লাম কলকাতা বিমানবন্দর. কলকাতার এই অত্যন্ত কুঁড়ে মানুষগুলোর বাস, ট্রেণ এবং প্লেনে এত তাড়া কিসের বলুন তো !! ভাবছেন এবার এটা নিয়ে কবচাব.. ভুল ভাবছেন আমার উদ্দেশ্যটা তা নয়. যাই হোক, অগ্রিম মূল্যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ট এ লাইনে দাঁড়িয়ে শুনতে পেলাম যিনি টিকিট দিচ্ছেন তার ব-এর ওপর এন্তার প্রেম, ব-দ্বীপের বাসিন্দা বোধ হয়. বিভিন্ন রকমের ব-বাচক শব্দের চলমান কারখানা. এককান টিকিট নিয়ে বাইরে বেরিয়ে গরু খোঁজ মানে ট্যাক্সি খোঁজ.. আর কি. এর মধ্যে একজন লোক এসে আমায় পথ বাঁতলে দিলেন কোথায় গেলে দেখা পাব. ব্যাগ নিয়ে বসতেই, গদগদ মুখে হাতখান বাড়িয়ে দিয়ে বলল, দিদি কিছু দেবেন না... সাড়ে সব্বনাশ.. সক্কাল সক্কাল মাথায় হাত বুলিয়ে দশ টাকার একখান নোট ফস্ করে উড়ে গেল.. তা বলি আমার মাথায় কি ক-লেখা টিপ ছিল. যত্তসব !@**** এসে জুটেছে. সারা কলকাতা ভ্রমণ করে পৌঁছলুম বাড়ি. এই বলে কলকাতা নাকি লন্ডন হবে.. ততদিনে তো পল্টন নিয়ে বৃন্দাবন ধামে যেতে হবে... আর আপনি কি করছেন.. পাতলা হন এবার... আর শুনুন আপনার যাত্রা শুভ হোক.

Wednesday, July 16, 2008

দেবতা...

আবার রাত্রি নামল I সৌম্যকান্তি দেবতা এসে প্রশ্ন করলেন, এখন ধরায় যদি হঠাত করে চমত্কার কিছু ঘটে তাহলে কি চাই তোমার ? মৃদ্যু হেসে দেবী বললেন, এই ধরায় যা ঘটছে সেকি চমত্কারের কম, গাড়িতে, বাড়িতে, কাজে, রাস্তায় অগণিত লোকের ভীড় সবাই বাঁচতে চায়, যেভাবে হোক বাঁচতে চায় I প্রেমের গান, কবিতা, গল্প লৌকিকতার একটা পৃষ্ঠা বলে মনে হয় হাসি মুখে দেখে বইয়ের তাকের ওপরে হাত পৌঁছায় না এমন জায়গায় রেখে দেওয়ার মত I শিশুরা প্রথম শেখে বিদেশী একটি ভাষা, তারপর আসে মাতৃভাষা কখনও বা তাও আসে না I লক্ষ লক্ষ চাষী পরিবার অপরাধ ছাড়াই এক বিশাল ষড়যন্ত্রের শিকার কিন্তু তাদের পাতে ভাতের বদলে এসে পড়ছে নেতাদের অসংখ্য বাকবিতন্ডা I আজ শান্তি নিছকই একটা উপহাসমাত্র I
হে দেবতা, পরম পূজনীয়, আপনি কি এখনও কোনো চমত্কার দেখাতে চান ! তবে সে চমত্কার উপভোগ করার মতো সাহস মানুষ নামক অদ্ভুদ জীবটির আজ আর নেই I

Monday, July 14, 2008

আমি তখন ছিলেম মগন...

সময় তখন বিকেল পেরিয়ে সন্ধ্যের মুখে , হঠাতই একরাশ মেঘে ঢেকে গেল একচিলতে আকাশটা I রুমঝুম শব্দে একটু একটু করে নেমে পড়ল বৃষ্টি, আমার ঘরের বাইরের টিনে রিনরিন শব্দতুলে I একটা হাত বাড়িয়ে একটু বৃষ্টির ছাঁট মেখে নিলাম I রিনরিন শব্দের সাথে ঝমঝমে বৃষ্টি একটা নতুন সুর তুলছে, যদিও গান গাইতে পারিনা, তবু প্রাণ খুলে গান গাইতে ইচ্ছে করছে, “আজ যেমন করে গাইছে আকাশ তেমনি করে গাই... হাওয়া যেমন পাতায় পাতায়.. মর্মরিয়া বনকে কাঁদায়..” আপাতত সব কাজ ফেলে ছুটে গিয়ে গায়ে মেখে নিতে ইচ্ছে করছে বৃষ্টিকে I

বিশুদ্ধ মালকোষ বাজছে আমার হেডফোনটাতে, একটা অদ্ভুত কম্বিনেশন...

Tuesday, March 18, 2008

আমার শহর

ক্যালিডোস্কোপে এখন কলকাতা..
চেনা জায়গাগুলো নানা আকার নিতে শুরু করল৷ কলকাতা.. আমার কাছে কলকাতা ভিক্টোরিয়ার ভীড়, নন্দনের চলচ্চিত্র উত্সব, হুজুগে বাঙালী, ঘুরে ঘুরে দুর্গাপুজো দেখা নয়৷

কলকাতা হল, সকালে কারখানার ভোঁ-তে ঘুম ভেঙে নতুন দিনের শুরু, কলকাতা হল একটা ছোট্ট স্টেশনে অনেক লোকের ভীড়, কলকাতা হল একটুর জন্য ট্রেনটা মিস, কলকাতা হল, এই আমার হয়ে আজকে প্রথম ক্লাসে প্রোক্সিটা মেরে দিস৷

কলকাতা হল, হকারের সমারোহে ব্যাস্ত নিউ মার্কেট, কলকাতা হল কলেজ স্টিটে বইয়ের ভীড়ে পুরোনো বইযের সাথে নতুন বইযের গন্ধ৷
কলকাতা হল, হঠাত্ বৃষ্টিতে একহাঁটু জলে এক মুহূর্তে থমকে থাকা একটা গোটা শহর৷
কলকাতা হল, বন্ধের শ্লোগান, চলবে না চলছে না৷ কলকাতা হল, ‘হাল ছেড়ো না বন্ধু৷’
বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে বাড়ি আসার নাম কলকাতা৷ হাঁটু জল রাস্তায় দাঁড়িয়ে “দাদা একটা গরম আদা চা..” হল কলকাতা৷
কফি হাউসে বসে ধোঁয়ার পাহাড় হল কলকাতা, অনেক বিতর্কে হেরে না যাওয়া হল কলকাতা ৷
টানা রিক্সায় রোগা ছেলেটির মোটা সওয়ারি হল কলকাতা৷
দিদি একটা টাকা দেবে “কাল থেকে খাওয়া হয় নি..” এই হল কলকাতা...৷
তসলিমা বিতর্কে একজোট মানুষের শহর হল কলকাতা..
ধূলো উড়িয়ে চলে যাওয়া বাসের পিছনে দৌঁড়নোর নাম কলকাতা৷
কাগজের শীর্ষে মরুদ্যানে মুখ্যমন্ত্রীর হাসি মুখ ছবি হল কলকাতা৷
একটা শহর, অনেক বছর, অনেক গল্প, আলতো স্মৃতি... এই হল আমার শহর৷

Monday, February 18, 2008

আমার স্মৃতির একটি পাতায় কেমন আছো?

চেনা রাস্তা ধরে হাঁটতে হাঁটতে হঠাত্ পা রাখলাম ফেলে আসা স্মৃতির সিঁড়িতে৷সকাল ন’টা হন্তদন্ত বাড়ির তিনতলাটা, এটা আমার জন্মস্থান৷রান্না ঘরে বেশ ছ্যাক ছোক শব্দ হচ্ছে৷ বাবা বলছেন তাড়াতাড়ি করো আজ স্কুলে প্রাক্টিকাল আছে সকালে৷এসবে মন নেই একটা মেয়ের৷ সে বেশ ছাদে উঠে গাছদের সাথে গল্প করছে৷ অথবা, আনমনে ইছামতী দেখছে৷ পড়াশুনায় মন যে নেই সে তার সাথে বাড়ির সবার জানা৷এবারের শীতটা কিন্তু বেশ ঝকঝকে একটা সকাল রোদ্দুরাও কেমন সোনালি রঙের চাদর গায়ে দিয়েছে৷ আর এদের সাথে গল্প করতে দাঁড়িয়ে আছে সে৷ এদের ছেড়ে কোথায় যাওয়া যায়৷ ওদিকে নদীর ঢেউ পাড়ের সাথে গল্প করছে কিন্তু বোঝা যাচ্ছে না তবে খুব ভালো লাগছে সেটা দেখতে৷ কোনো দিন সময় করে সন্ধ্যেবেলা নদী দেখো৷ মন খারাপ হলেও এক মুহূর্তে ভালো হয়ে যাবে৷ একেক সময় মনে হয় চলে যাই ইছামতীর কাছে৷ এখনও হয়তো সেই মেয়েটা ছাদের রেলিং-এ হেলান দিয়ে নদী, রোদ্দুর আর গাছের গল্প শুনছে৷যাবে কি আমার সাথে?